গুগল র্যাঙ্কিং ও বিক্রির জন্য ওয়েবসাইটের স্পিড কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ভিজিটর মোবাইল ডাটায় ব্রাউজ করে। স্পিড কীভাবে র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলে, আর ধীর সাইটের পাঁচটি কার্যকর সমাধান।
পেজ র্যাঙ্ক করার সময় গুগল কোর ওয়েব ভাইটালসসহ পেজ এক্সপেরিয়েন্সের সংকেত ব্যবহার করে। তার চেয়েও বড় কথা, আসল ভিজিটর ধীর সাইট ছেড়ে চলে যায়। মোবাইল সংযোগে প্রতিটি অতিরিক্ত সেকেন্ডে মানুষ আপনার অফার দেখার আগেই চলে যায়।
কোর ওয়েব ভাইটালস কী মাপে
- LCP — মূল কনটেন্ট কত দ্রুত দেখা যায় (২.৫ সেকেন্ডের কম লক্ষ্য)
- INP — কেউ ট্যাপ করলে পেজ কত দ্রুত সাড়া দেয় (২০০ মিলিসেকেন্ডের কম)
- CLS — লোড হওয়ার সময় লেআউট সরে যায় কিনা (০.১-এর কম)
সাধারণত কাজে লাগে এমন পাঁচটি সমাধান
- ছবি WebP-তে রূপান্তর করে প্রতিটি স্ক্রিনের উপযুক্ত সাইজে দিন।
- অব্যবহৃত প্লাগইন, স্লাইডার ও ভারী পেজ বিল্ডার সরিয়ে দিন।
- পেজ ক্যাশিং ও Cloudflare-এর মতো CDN ব্যবহার করুন।
- চ্যাট উইজেট, পিক্সেল ও ম্যাপ শুধু দরকার হলে লোড করুন।
- দ্রুত স্টোরেজ ও যথেষ্ট রিসোর্সসহ হোস্টিং বেছে নিন।
গুগল পেজস্পিড ইনসাইটসে আপনার সাইট পরীক্ষা করুন। মোবাইল স্কোর কম হলে আমাদের মেইনটেন্যান্স ও এসইও টিম সাহায্য করতে পারে।
কোনো প্রজেক্টের কথা ভাবছেন?
আপনার প্রয়োজন জানান। এক কর্মদিবসের মধ্যে পরিকল্পনা ও খরচসহ উত্তর দেব।
